ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান বাণিজ্য আলোচনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) জেমিসন গ্রিয়ার। এক বিবৃতিতে তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও জোরদার করতে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ইতিবাচক ফল বয়ে আনছে।
গ্রিয়ার বলেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যৌথ বিবৃতিতে “ক্যাটালাইজিং অপরচুনিটিজ ফর মিলিটারি পার্টনারশিপ, এক্সিলারেটেড কমার্স ও টেকনোলজি” বা সংক্ষেপে “কমপ্যাক্ট” উদ্যোগের গুরুত্ব পুনরায় তুলে ধরা হয়েছে। এই যৌথ উদ্যোগ দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তি ও সামরিক অংশীদারিত্ব ছাড়াও বাণিজ্যের সুযোগ বাড়াতে সহায়ক হবে।
বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার জানান, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি (বিটিএ) নিয়ে আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই আলোচনা শুরু হয়।
গ্রিয়ার আরও বলেন, “আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর এবং ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় পারস্পরিক বাণিজ্য আলোচনার রূপরেখা চূড়ান্ত করেছে।” তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সম্পর্কে ভারসাম্যের অভাব রয়েছে, যা মার্কিন শ্রমিকদের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গ্রিয়ার আশা প্রকাশ করেন যে, এই আলোচনা অসমতা দূর করতে সক্ষম হবে এবং মার্কিন পণ্যের জন্য নতুন বাজারের দ্বার উন্মুক্ত করবে। সেইসঙ্গে অন্যায্য বাণিজ্য চর্চার অবসান ঘটাবে। ভারতের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত গঠনমূলক অংশগ্রহণ দেখা গেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আশাব্যঞ্জক।
এই আলোচনার মাধ্যমে উভয় দেশের শ্রমিক, কৃষক এবং উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে দৃঢ় বিশ্বাস প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার। তাঁর মতে, এই ধরণের ইতিবাচক আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।
পিডিএফ নিউজ ২৪ ঘণ্টা বাংলার খবর